- ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে এবং এ ঘটনায় জড়িত খুনিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে চরভদ্রাসন সদর বাজারের প্রধান সড়কে এ বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
চরভদ্রাসনের সর্বস্তরের জনগণ ও ছাত্রসমাজের ব্যানারে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিলে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রায় ৬৫ থেকে ৭০ জন মানুষ অংশ নেন। মিছিলের সামনের সারি থেকে নেতৃত্ব দেন মোঃ হোসাইন, শেখ সাজ্জাদ হোসেন, রাব্বি মোল্লা (ধলা), নওশাদ আহাম্মেদ, নাঈম হোসেন, আল আমিন খাঁ, বর্ষণ ও অধিক জামান।
বিক্ষোভ চলাকালে বক্তব্যে শেখ সাজ্জাদ হোসেন বলেন, পুলিশ প্রশাসন চাইলে বাংলাদেশের যে প্রান্তেই থাকুক, মাত্র পাঁচ মিনিটেই আসামিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব। তিনি অভিযোগ করে বলেন, হত্যাকারীরা ভারতীয় সীমান্ত পার হওয়ার আগ পর্যন্ত বিভিন্নভাবে সহযোগিতা পেয়েছে, না হলে এত দ্রুত সীমান্ত পার হওয়া সম্ভব হতো না। অবিলম্বে হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে ফাঁসির মঞ্চে ঝুলিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপনের দাবি জানান তিনি।
বিক্ষোভকারীরা বলেন,শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ড শুধু একজন মানুষকে নয়, বরং পুরো গণআন্দোলনের চেতনাকে আঘাত করেছে। দ্রুত ও সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারিও দেন তারা।
উল্লেখ্য, আততায়ীর গুলিতে গুরুতর আহত হয়ে টানা সাত দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই শেষে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের সামনের সারির অকুতোভয় যোদ্ধা শরিফ ওসমান হাদি চিকিৎসাধীন অবস্থায় সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। বাংলাদেশ সময় গতকাল বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১০টার দিকে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
তার মৃত্যুর খবরে চরভদ্রাসনসহ আশপাশের এলাকায় শোক ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর আন্দোলনের ইতিহাস সংরক্ষণ ও চেতনাকে ধরে রাখতে তিনি গড়ে তুলেছিলেন ইনকিলাব মঞ্চ। তিনি ছিলেন ওই মঞ্চের মুখপাত্র এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম মহানায়ক

কুমারেশ পোদ্দার 










